ঘরোয়া পদ্ধতিতে তৈলাক্ত ত্বকের যত্ন কিভাবে নেওয়া উচিত

আমাদের দেশের আবহাওয়া,মানুষের লাইফস্টাইল,হরমোনাল পরিবর্তন ইত্যাদির কারণে তৈলাক্ত ত্বকের সমস্যা এখন জাতীয় সমস্যায় পরিণত হয়েছে।নানান ধরনের প্রোডাক্ট ইউজ করেও তেমন সুফল পাওয়া যাচ্ছে না।ত্বকের তৈলাক্ততার কারণে নানা ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে যেমন ব্রণ,ব্ল্যাকহেডস,হোয়াইটহেডস,লোমকুপ বড় হয়ে যাওয়া সহ নানা সমস্যা।আর তৈলাক্ত ত্বক একটু সেন্সিটিভ হওয়ার কারণে না জেনে বুঝে বা নিয়ম না মেনে মুখে কিছু ব্যবহার করলেই মুখে ব্রণ,ব্ল্যাকহেডসের মতন নানা সমস্যা দেখা দেয়।তাই তৈলাক্ত ত্বকের যত্নের জন্য কি করা উচিত এটা জানার থেকেও বেশি গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে কি করা উচিত নয়।চলুন দেখে নেওয়া যাক তৈলাক্ত ত্বকের যত্নে কি কি অ্যাভয়েড করা উচিত।

ত্বক তৈলাক্ত হওয়ার কারণ

আমাদের ত্বকে সেবাসিয়াস গ্রন্থি নামক এক ধরনের গ্রন্থি থাকে।নরমালি এই গ্রন্থি থেকেই আমাদের সকলের ত্বকে সেবাম নামক তেল উৎপাদন হয়।কিন্তু ত্বকে যখন এই তেল অধিক পরিমাণে উৎপন্ন হতে থাকে তখন আমাদের ত্বকে তৈলাক্ততা দেখা দেয়।এই তেল বেড়ে যাওয়ার পিছনের কারণগুলোর মধ্যে একটি হলো জেনেটিক্স।জেনেটিক্যালি অনেকের ত্বকে বা মুখে সেবাসিয়াস গ্রন্থির সংখ্যা বেশি থাকে।যার কারণে বেশি সংখ্যক সেবাসিয়াস গ্রন্থি বেশি পরিমাণে ত্বকে সেবাম তেল উৎপন্ন করে।আর অপর কারণটি হলো হরমোনাল পরিবর্তন।হরমোনাল পরিবর্তনের কারণে অনেকের ত্বকের সেবাসিয়াস গ্রন্থিগুলো বেশি পরিমাণে তেল উৎপন্ন করে।

তৈলাক্ত ত্বকের যত্নে কি বর্জনীয়

অয়েলি বা তৈলাক্ত ত্বকের যত্নের জন্য কি করা উচিত এটা জানার থেকেও বেশি গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে কি করা উচিত নয়।

  • অতিরিক্ত মুখ ধোয়া: তৈলাক্ত ত্বকের অধিকাংশ লোক দিনে অনেকবার মুখ ধুয়ে থাকেন।যখনই তাদের মুখ একটু তেলতেলে মনে হয় তখনই তারা মুখটা ফেসওয়াশ দিয়ে ধুয়ে আসে।যা একেবারে ভুল একটি কাজ।এর ফলে তো কোনো উপকার হয়ই না বরং তাদের স্কিন ব্যারিয়ার বা ত্বকের উপরের আবরণ ক্ষতিগ্রস্থ হয়।
  • অতিরিক্ত প্রোডাক্ট ব্যবহার: তৈলাক্ত ত্বকে নানাবিধ সমস্যা দেখা দেওয়ায় মানুষ বিভিন্ন রকম প্রোডাক্ট ব্যবহার করে।একটা কাজ না করলে আরেকটা ব্যবহার শুরু করে এবং এটা চলমান থাকে।যা করা মোটেও উচিত নয়।কারণ সকলের তৈলাক্ততার ধরণ একরকম হয় না।কারও বেশি তেল হয়,কারও একটু কম আবার কারও সকালে বেশি তেল হয় কারও বা সারাদিনই স্কিন তেলতেলে থাকে।তাই তৈলাক্ততার ধরণ বুঝে তারপর প্রোডাক্ট ব্যবহার করা উচিত।
  • স্ক্রাব ব্যবহার করা: যেকোনো ধরনের স্ক্রাব ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকতে হবে।স্ক্রাব তৈলাক্ত ত্বকের জন্য অত্যন্ত ক্ষরিকর।তৈলাক্ত স্কিন নরমালি খুব সেনসেটিভ হয়।আর স্ক্রাবে দানাদার কণা থাকায় তা ব্যবহারে স্কিনে ইরিটেশন শুরু হয়,ব্রণ বাড়ে,পোরস বড় করে,জ্বালা সৃষ্টি করা সহ নানা ধরনের সমস্যা দেখা দেয়।
  • ময়েশ্চারাইজার না লাগানো: অনেকেই ভাবে তেলতেলে ত্বকে ময়েশ্চারাইজার লাগানোর কোনো প্রয়োজন নেই।তাই ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধোয়ার পর তারা ময়েশ্চারাইজার লাগাতে চায় না।অথচ ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধোয়ার পর স্কিন ভিতরে একটি সংকেত পাঠায় যে স্কিন শুকিয়ে যাচ্ছে।সেই সিগন্যালে সাড়া দিয়ে সেবাসিয়াস গ্রন্থিগুলো আরও বেশি পরিমাণে তেল উৎপাদন করা শুরু করে যার কারণে ত্বকে তেলের পরিমাণ পূর্বের থেকে আরও বৃদ্ধি পায়।
  • অস্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া: অতিরিক্ত ফাস্ট ফুড বা ভাজাপোড়া জাতীয় খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকা উচিত কেননা অনেকের ক্ষেত্রে এসব খাবারের হজম প্রক্রিয়া সরাসরি ত্বকে প্রভাব ফেলতে পারে।

ডেইলি লাইফে তৈলাক্ত ত্বকের যত্ন কিভাবে নেওয়া উচিত

প্রতিদিনকার জীবনে একটি নির্দিষ্ট নিয়ম বা রুটিন মেনে তৈলাক্ত ত্বকের যত্ন নিলে ব্রণ,ব্ল্যাকহেডস,হোয়াইটহেডস,বড় পোরস,তৈলাক্ত ভাব অনেকটাই কমে আসে।

তাই প্রাত্যহিক জীবনে তৈলাক্ত ত্বকের অধিকারীদের উচিত একটি সঠিক স্কিন কেয়ার রুটিন নিয়মিতভাবে মেইনটেইন করা।

ফেসওয়াশ ব্যবহার

সব ধরনের ত্বকের জন্য যে প্রোডাক্ট ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক সেটা হলো ফেসওয়াশ।তৈলাক্ত ত্বকের জন্য একটি নন হার্শ,জেল বেসড,টি ট্রি অয়েল যুক্ত ফেসওয়াশ ব্যবহার করতে হবে যাতে স্যালিসাইলিক এসিড,নায়াসিনামাইড ইত্যাদি উপাদান থাকবে।দিনে সর্বোচ্চ ২ বার সকালে ও রাতে মুখ ফেসওয়াশ দিয়ে পরিষ্কার করতে হবে।অনেকে স্কিন যখনই একটু তেলতেলে দেখা যায় তখনই ফেসওয়াশ ব্যবহার করে যা মোটেও করা যাবে না।

টোনার ব্যবহার

তৈলাক্ত ত্বকের ক্ষেত্রে ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধোয়ার ৩০-৬০ সেকেন্ড পর টোনার ব্যবহার করতে হবে।ফেসওয়াশ ত্বকের পোরস গুলো খুলে দেয়।আর টোনার সেই পোরস গুলো বন্ধ করে দেয়।এজন্য ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধোয়ার পরপরই টোনার ব্যবহার করতে হবে।আর টোনার মুখ থেকে অতিরিক্ত তেল ও ময়লা বের করতে সাহায্য করে।হাতের তালুতে কয়েক ফোটা টোনার নিয়ে মুখে হালকা প্যাট করে লাগান।ভুলেও মুখ বেশি জোড়ে ঘষা যাবে না ও বেশি টোনার ব্যবহার করা যাবে না।সকাল ও রাতে ফেসওয়াশ ব্যবহারের পড়ে টোনার ব্যবহার করতে হবে অর্থাৎ দিনে মোট ২ বার।আর যাদের স্কিন একটু বেশিই সেনসিটিভ তারা কেবল রাতে ১ বার টোনার ব্যবহার করতে পারবেন।

ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার

টোনার ব্যবহারের ইমিডিয়েট পরে ৩০-৫০ সেকেন্ডের মধ্যে ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করতে হবে।অনেক মানুষ টোনার ব্যবহারের পর একটু অপেক্ষা করে টোনার শুকানোর জন্য যা একেবারেই ভুল প্রসেস।টোনার ত্বক হালকা ভেজা করে।আর সঠিক পদ্ধতি হচ্ছে এই হালকা ভেজা অবস্থায়ই ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করা যাতে আদ্রতা স্কিনে ভালোভাবে লক হয়।ফলে স্কিন বেশিক্ষণ সতেজ থাকে ও অতিরিক্ত তেল উৎপাদন বন্ধ থাকে।

আবার অনেকেই ভাবে তৈলাক্ত ত্বকে ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করার প্রয়োজন হয় না যা একেবারেই ভুল ধারণা।মুখ ধোয়ার পর তৈলাক্ত ত্বকে অবশ্যই একটি অয়েল ফ্রি,জেল বেসড,নন কমেডোজেনিক ময়েশ্চারাইজার লাগাতে হবে।অল্প পরিমাণ ময়েশ্চারাইজার নিয়ে মুখে পাতলা করে লাগাতে হবে দিনে দুইবার মুখ ধুয়ে টোনার লাগানোর পর।

সানস্ক্রিন ব্যবহার

যে কোনো ত্বকের জন্য প্রতিদিন সানস্ক্রিন ব্যবহার জরুরি।এখন অনেকের মনে প্রশ্ন হতে পারে প্রতিদিন কেন?যেদিন সূর্য উঠবে না বা আকাশ মেঘলা থাকবে সেদিন কি সানস্ক্রিন ব্যবহার করতে হবে?উত্তর হচ্ছে হ্যাঁ,ব্যবহার করতে হবে,এমনকি বাসায় অবস্থান করলেও দিনে অন্তত ১ বার সকালে সানস্ক্রিন লাগাতে হবে।কারণ রোদ না থাকলেও প্রকৃতিতে UV রশ্মি ঠিকই থাকে যা ত্বক ড্যামেজ করে।

সানস্ক্রিন ব্যবহারের ক্ষেত্রে ২ টা জিনিস কখনো করা যাবে না।একটা হলো রাতে সানস্ক্রিন ব্যবহার করা আর অপরটি হলো কম পরিমাণ সানস্ক্রিন ব্যবহার করা।সানস্ক্রিন লাগানোর সময় ইনডেক্স ফিঙ্গার ও মিডেল ফিঙ্গার জুড়ে সানস্ক্রিন নিতে হবে।পরে সেটা মুখে ও গলায় হালকা ট্যাপ করে ব্লেন্ড করে লাগাতে হবে।বাইরে যাওয়ার ২০-২৫ মিনিট আগে লাগান আর বাহিরে না গেলেও সকালে ১ বার লাগান।রোদে থাকলে ৩ থেকে ৪ ঘন্টা পর আবার লাগান।

তৈলাক্ত ত্বকের জন্য কোন ফেসওয়াস ভালো

  • neutrogena oil balancing facial wash 
  • Simple Kind To Skin Refreshing Facial Wash Gel

তৈলাক্ত ত্বকের জন্য কোন টোনার ভালো

  • bonajour green tea water toner
  • Rice extract based toner

তৈলাক্ত ত্বকের জন্য কোন ময়েশ্চারাইজার ভালো

  • Simple Kind to Skin Hydrating Light Moisturiser
  • Neutrogena Oil-Free Moisturizer

তৈলাক্ত ত্বকের জন্য কোন সানস্ক্রিন ভালো

  • Missha Soft Finish Sun Milk
  • missha velvet finish sun milk

তৈলাক্ত ত্বকের ঘরোয়া যত্ন ও প্রাকৃতিক ফেসপ্যাক

অয়েলি স্কিনের যত্নে ফেসওয়াশ,টোনার,ময়েশ্চারাইজার ও সানস্ক্রিন ব্যবহারের পাশাপাশি ঘরোয়া কিছু টোটকা বা ফেসপ্যাক ব্যবহার করলে ত্বকের অতিরিক্ত তেল নিয়ন্ত্রণ,ব্রণ কমানো,পোরস পরিষ্কার রাখা আগের থেকে সহজ হবে এবং ত্বক আগের থেকে আরও বেশি সতেজ ও উজ্জ্বল হবে।

তো চলুন এমনই কিছু কার্যকরী ঘরোয়া টোটকা দেখে নিই যা ব্যবহার করা সম্পূর্ণ নিরাপদ ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াহীন।

মুলতানি মাটি ও গোলাপ জল ফেসপ্যাক

তৈলাক্ত ত্বকের জন্য সবচেয়ে কার্যকর ঘরোয়া ফেসপ্যাক হয়তোবা এটিই।মুলতানি মাটিতে আছে প্রাকৃতিক শোষণকারী খনিজ পদার্থ যা ত্বক থেকে অতিরিক্ত তেল শোষণ,লোমকূপ পরিষ্কার ও ব্রণের জীবাণু দূর করে।আর গোলাপ জল একটি মৃদু টোনার হিসেবে কাজ করে যা ত্বককে ঠান্ডা রাখে ও ইরিটেশন কমায়।সপ্তাহে ১-২ দিন ১ চামচ মুলতানি মাটির সাথে সামান্য গোলাপ জল মিশিয়ে মুখে লাগিয়ে ১০-১৫ মিনিট অপেক্ষা করে ধুয়ে ফেলুন।১০-১৫ মিনিটের বেশি ত্বকে এই প্যাক লাগিয়ে রাখবেন না,নয়তো এটি ত্বক থেকে প্রাকৃতিক আদ্রতা টেনে নিতে পারে যা ত্বকের জন্য ক্ষতিকর।

টমেটোর রস

গুণ যা ত্বতৈলাক্ত ত্বকের ঘরোয়া যত্নের সবেচয়ে সহজ পদ্ধতি হচ্ছে এটি।চোখ ও ঠোঁটের আশেপাশের এরিয়া বাদে পুরো মুখে টোমেটোর রস লাগান।১০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন।টমেটোর রসে আছে ভিটামিন সি ও লাইকোপিন যা ত্বকের অতিরিক্ত তেল নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে।এছাড়াও লোমকূপ পরিষ্কার ও সাময়িকভাবে টাইট করে এবং ব্ল্যাকহেডস কমাতেও সাহায্য করে।তবে খেয়াল রাখতে হবে ১০ মিনিটের বেশি সময় ত্বকে রাখলে ও ঘর থেকে বাহির হওয়ার আগে দিলে ত্বক জ্বালা করতে পারে ও শুষ্ক হয়ে যেতে পারে। সপ্তাহে ২-৩ বার ব্যবহার করা যথেষ্ট।

ডিমের সাদা অংশ

যাদের ত্বক খুব বেশি তৈলাক্ত ও পোরস গুলো একটু বড় তারা চাইলে এই টোটকা ব্যবহার করতে পারেন তবে সপ্তাহে সর্বোচ্চ ১ বার এই টোটকা টি ব্যবহার করা যথেষ্ট।ডিমের সাদা অংশে আছে প্রোটিন যা ত্বকে লাগালে ত্বকের উপরে পাতলা একটি স্তর তৈরি করে।এই স্তর ত্বককে টানটান করে ও পোরস টাইট দেখায় এবং ত্বক থেকে অতিরিক্ত তেল শোষণে সহায়তা করে।ব্যবহারের আগে মুখ ভালোভাবে ধুয়ে নিন।তারপর ডিমের সাদা অংশ ভালোভাবে ফেটিয়ে নেন।চোখ ও ঠোঁট বাদে বাকি জায়গায় ভালোভাবে লাগিয়ে নিয়ে ১০-১৫ মিনিট রেখে তারপর ধুয়ে ফেলুন।সপ্তাহে একবার ব্যবহার যথেষ্ট।অতিরিক্ত ব্যবহারে ত্বক রুক্ষ হয়ে যেতে পারে এবং যাদের ডিমে অ্যালার্জি বা ত্বক একটু বেশি সংবেদনশীল তারা এই পদ্ধতি এরিয়ে যাওয়াই উত্তম।

বেসন ও হলুদের প্যাক

তৈলাক্ত ও মিশ্র ত্বকের অধিকারীদের মধ্যে যাদের ব্ল্যাকহেডস ও মুখে ময়লা জমা জনিত সমস্যা আছে তাদের জন্য এটা আশীর্বাদই বটে।১ টেবিল চামচ বেসন ও ১ চা চামচ হলুদের গুড়া নিবেন।সাথে চাইলে লেবুর রস বা দুধ নিতে পারেন পেস্ট তৈরির জন্য।তারপর এই প্যাকটি চোখের আশেপাশের জায়গা বাদে পুরো মুখে ১০-১৫ মিনিট লাগিয়ে রেখে ধুয়ে ফেলুন।চেষ্টা করবেন প্যাকটি মুখে শুকিয়ে যাওয়ার আগে ধুয়ে ফেলার।তা নাহলে মুখ বেশি শুষ্ক হয়ে যেতে পারে।সপ্তাহে সর্বোচ্চ ১-২ বার ব্যবহার করা উচিত।এর বেশি ব্যবহার করলে ত্বক রুক্ষ হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

বেসন একটি প্রাকৃতিক ক্লিনজার ও এক্সফোলিয়েন্টের মতন কাজ করে যা ত্বকের মৃত কোষ গুলো তুলে ফেলে,লোমকূপ পরিষ্কার ও ত্বক থেকে অতিরিক্ত তেল বের করতে সাহায্য করে।আর হলুদে আছে অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি ও অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল গুনাগুণ যা ত্বককে আরাম দেয়,লালচে ভাব কমায় ও ব্রণের জন্য দায়ী জীবাণুগুলো ধ্বংস করে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *