পিরিয়ডের পর কোন সময় সহবাস করলে সন্তান হওয়ার সম্ভাবনা বেশি

আপনি গর্ভধারণ করতে চান বা গর্ভধারণ প্রতিরোধ করতে চান, এটি সব কিছু করার সঠিক সময় নির্ধারণের উপর নির্ভর করে। এখানে, আমরা আলোচনা করতে যাচ্ছি যে আপনার মাসিকের পরে গর্ভবতী হওয়ার জন্য কোন সময়টি সঠিক।

আজকের আধুনিক যুগে, সদ্য বিবাহিত দম্পতিরা মানসম্পন্ন সময় কাটানোর জন্য কয়েক বছর পর পরিবার পরিকল্পনা করতে পছন্দ করেন। এমন পরিস্থিতিতে তারা প্রায়শই নিরাপদ যৌনতায় বিশ্বাস করে এবং উপভোগও করে। কিন্তু যখন তারা তাদের বাড়িতে একটি নতুন অতিথি আনার জন্য প্রস্তুত, তারা প্রায়ই গর্ভধারণের সঠিক সময় এবং সঠিক পদ্ধতি সম্পর্কে প্রশ্ন করে, যার উত্তর আমরা আজ এসেছি।

কিভাবে গর্ভাবস্থা বা গর্ভধারণ ঘটে?

গর্ভাবস্থা ঘটে যখন একটি শুক্রাণু একটি ডিম্বাণু কোষকে নিষিক্ত করে এবং নিষিক্ত ডিম্বাণু নিজেই জরায়ুতে ইমপ্লান্ট করে। এটি করার জন্য, শুক্রাণু কোষকে অবশ্যই যোনি থেকে এবং জরায়ুর মধ্য দিয়ে ফ্যালোপিয়ান টিউবে যেতে হবে। নিষিক্তকরণের পর, ডিমের কোষ ডিম্বাশয় থেকে ফ্যালোপিয়ান টিউবের মাধ্যমে জরায়ুতে যায়। এখানে, এটি জরায়ুর আস্তরণের সাথে নিজেকে সংযুক্ত করে।

সহবাসের 5 দিন পর্যন্ত যে কোনো সময় গর্ভধারণ হতে পারে। শুক্রাণু কোষ ফ্যালোপিয়ান টিউবের আতিথেয়তাপূর্ণ পরিবেশে 5 দিন পর্যন্ত বাস করতে পারে এবং এখনও ডিম্বাণু নিষিক্ত করার প্রাথমিক কাজ সম্পাদন করে। লিঙ্গের 5 দিন পরে ডিম্বস্ফোটন ঘটলে এটি ঘটে। সুতরাং, আমরা দেখতে পাচ্ছি যে গর্ভধারণের কাজটিতে, বিভিন্ন মার্কার রয়েছে যা পূরণ করতে হবে।
যে সময় জরায়ু একটি জীবনদাতা ডিম্বাণু গ্রহণ করে তাকে ডিম্বস্ফোটন বলা হয়। এই সময়টি ডিম্বস্ফোটনের চারপাশে ঘটে, এইভাবে, এটি সেই সময় যখন গর্ভধারণের সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি।
আরও পড়ুন: 30 বছর বয়সে মা হয়েছেন স্বপ্না চৌধুরী, জেনে নিন এই বয়সে মা হওয়ার উপকারিতা।

পিরিয়ডের পর সেক্স করার টিপস।

আপনার পিরিয়ড শেষ হলে আপনি গর্ভবতী হতে পারেন। আসলে, গর্ভবতী হতে, আপনার পিরিয়ডের 5 দিন পরে এবং ডিম্বস্ফোটনের দিনও লাগে। আপনি যদি গর্ভধারণের পরিকল্পনা করেন তবে আপনাকে সপ্তাহে দুই বা তিনবার সহবাস করার পরামর্শ দেওয়া হয়। পিরিয়ডের মধ্যে কয়েকদিন গর্ভধারণের লক্ষণ পাওয়া যায়। উদাহরণস্বরূপ, আপনার মাসিকের 6 দিন আগে এবং 4 দিন পরে আদর্শ হিসাবে বিবেচিত হয়।

কঠোরভাবে বলতে গেলে, ডিম্বস্ফোটন প্রায় 12 থেকে 24 ঘন্টা স্থায়ী হয়। একবার আপনার ডিম্বাশয় একটি ডিম্বাণু নিঃসরণ করলে, এটি আপনার শরীরে প্রায় 12 থেকে 24 ঘন্টা বেঁচে থাকে এবং তারপরে, শুক্রাণু দ্বারা নিষিক্ত না হলে এটি মারা যায়। এটি জরায়ুর আস্তরণ (এন্ডোমেট্রিয়াম) ফেলে দেয়, যার ফলে দুই সপ্তাহ পরে মাসিক হয়।
যাইহোক, এর মানে এই নয় যে আপনি শুধুমাত্র এই একদিনে গর্ভবতী হতে পারেন। একটি শুক্রাণু একটি মহিলার শরীরে পাঁচ দিন পর্যন্ত বেঁচে থাকে বলে জানা যায়। সুতরাং, আপনি যদি ডিম্বস্ফোটনের দিন আগে এবং পরে পাঁচ দিন সহ ছয় দিনের জন্য অনিরাপদ যৌন মিলন করেন, তবে আপনার গর্ভবতী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
আরও পড়ুন: গর্ভাবস্থায় বারবার ক্ষুধার্ত বোধ করার অভ্যাস দেখে বিরক্ত হবেন না, এই অভ্যাসটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

আপনার পিরিয়ড মিস করার আগে জেনে নিন আপনি গর্ভবতী কি না

দ্রুত টিপস:

  • সবসময় আপনার পিরিয়ড সাইকেল, পেট ফাঁপা, স্তনের কোমলতা এবং মেজাজ পরিবর্তনের মতো উপসর্গের দিকে নজর রাখুন। এটি আপনাকে আপনার গর্ভাবস্থার পরিকল্পনা আরও ভাল করতে সাহায্য করবে।
  • আপনার ডিম্বস্ফোটনের দিনগুলির একটি গ্রাফ মাথায় রাখুন এবং লক্ষণগুলি পর্যবেক্ষণ করুন।
  • কমপক্ষে তিন পিরিয়ডের জন্য আপনার শরীরের তাপমাত্রা নিরীক্ষণ করুন। এটি আপনাকে ডিম্বস্ফোটনের পরে তাপমাত্রা বৃদ্ধি লক্ষ্য করতে সহায়তা করবে।
আরো পড়ুনঃ   How do heart attack symptoms in women differ from men?

কিভাবে গর্ভাবস্থা বা গর্ভধারণ ঘটে?

গর্ভাবস্থা ঘটে যখন একটি শুক্রাণু একটি ডিম্বাণু কোষকে নিষিক্ত করে এবং নিষিক্ত ডিম্বাণু নিজেই জরায়ুতে ইমপ্লান্ট করে। এটি করার জন্য, শুক্রাণু কোষকে অবশ্যই যোনি থেকে এবং জরায়ুর মধ্য দিয়ে ফ্যালোপিয়ান টিউবে যেতে হবে। নিষিক্তকরণের পর, ডিমের কোষ ডিম্বাশয় থেকে ফ্যালোপিয়ান টিউবের মাধ্যমে জরায়ুতে যায়। এখানে, এটি জরায়ুর আস্তরণের সাথে নিজেকে সংযুক্ত করে।
সহবাসের 5 দিন পর্যন্ত যে কোনো সময় গর্ভধারণ হতে পারে। শুক্রাণু কোষ ফ্যালোপিয়ান টিউবের আতিথেয়তাপূর্ণ পরিবেশে 5 দিন পর্যন্ত বাস করতে পারে এবং এখনও ডিম্বাণু নিষিক্ত করার প্রাথমিক কাজ সম্পাদন করে। লিঙ্গের 5 দিন পরে ডিম্বস্ফোটন ঘটলে এটি ঘটে। সুতরাং, আমরা দেখতে পাচ্ছি যে গর্ভধারণের কাজটিতে, বিভিন্ন মার্কার রয়েছে যা পূরণ করতে হবে।
যে সময় জরায়ু একটি জীবনদাতা ডিম্বাণু গ্রহণ করে তাকে ডিম্বস্ফোটন বলা হয়। এই সময়টি ডিম্বস্ফোটনের চারপাশে ঘটে, এইভাবে, এটি সেই সময় যখন গর্ভধারণের সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি।
আরও পড়ুন: 30 বছর বয়সে মা হয়েছেন স্বপ্না চৌধুরী, জেনে নিন এই বয়সে মা হওয়ার উপকারিতা।

পিরিয়ডের পর সেক্স করার টিপস।
আপনার পিরিয়ড শেষ হলে আপনি গর্ভবতী হতে পারেন। আসলে, গর্ভবতী হতে, আপনার পিরিয়ডের 5 দিন পরে এবং ডিম্বস্ফোটনের দিনও লাগে। আপনি যদি গর্ভধারণের পরিকল্পনা করেন তবে আপনাকে সপ্তাহে দুই বা তিনবার সহবাস করার পরামর্শ দেওয়া হয়। পিরিয়ডের মধ্যে কয়েকদিন গর্ভধারণের লক্ষণ পাওয়া যায়। উদাহরণস্বরূপ, আপনার মাসিকের 6 দিন আগে এবং 4 দিন পরে আদর্শ হিসাবে বিবেচিত হয়।
কঠোরভাবে বলতে গেলে, ডিম্বস্ফোটন প্রায় 12 থেকে 24 ঘন্টা স্থায়ী হয়। একবার আপনার ডিম্বাশয় একটি ডিম্বাণু নিঃসরণ করলে, এটি আপনার শরীরে প্রায় 12 থেকে 24 ঘন্টা বেঁচে থাকে এবং তারপরে, শুক্রাণু দ্বারা নিষিক্ত না হলে এটি মারা যায়। এটি জরায়ুর আস্তরণ (এন্ডোমেট্রিয়াম) ফেলে দেয়, যার ফলে দুই সপ্তাহ পরে মাসিক হয়।
যাইহোক, এর মানে এই নয় যে আপনি শুধুমাত্র এই একদিনে গর্ভবতী হতে পারেন। একটি শুক্রাণু একটি মহিলার শরীরে পাঁচ দিন পর্যন্ত বেঁচে থাকে বলে জানা যায়। সুতরাং, আপনি যদি ডিম্বস্ফোটনের দিন আগে এবং পরে পাঁচ দিন সহ ছয় দিনের জন্য অনিরাপদ যৌন মিলন করেন, তবে আপনার গর্ভবতী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
আরও পড়ুন: গর্ভাবস্থায় বারবার ক্ষুধার্ত বোধ করার অভ্যাস দেখে বিরক্ত হবেন না, এই অভ্যাসটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

আপনার পিরিয়ড মিস করার আগে জেনে নিন আপনি গর্ভবতী কি না

দ্রুত টিপস:

  • সবসময় আপনার পিরিয়ড সাইকেল, পেট ফাঁপা, স্তনের কোমলতা এবং মেজাজ পরিবর্তনের মতো উপসর্গের দিকে নজর রাখুন। এটি আপনাকে আপনার গর্ভাবস্থার পরিকল্পনা আরও ভাল করতে সাহায্য করবে।
  • আপনার ডিম্বস্ফোটনের দিনগুলির একটি গ্রাফ মাথায় রাখুন এবং লক্ষণগুলি পর্যবেক্ষণ করুন।
  • কমপক্ষে তিন পিরিয়ডের জন্য আপনার শরীরের তাপমাত্রা নিরীক্ষণ করুন। এটি আপনাকে ডিম্বস্ফোটনের পরে তাপমাত্রা বৃদ্ধি লক্ষ্য করতে সহায়তা করবে।

কোন সময় সহবাস করলে সন্তান হওয়ার সম্ভাবনা বেশি

সন্তান হওয়ার সম্ভাবনা বেশি করতে হলে উর্বর সময়-এ সহবাস করা গুরুত্বপূর্ণ। উর্বর সময় হলো মাসিক চক্রের সেই সময়কাল যখন ডিম্বাণু নিষেকের জন্য প্রস্তুত থাকে।

উর্বর সময় নির্ণয়ের কয়েকটি উপায়:

১. মাসিক চক্র ট্র্যাক করা:

প্রতিদিন আপনার ঋতুস্রাবের শুরু এবং শেষের তারিখ লিপিবদ্ধ করুন।
আপনার চক্রের দৈর্ঘ্য নির্ণয় করুন (দুটি ঋতুস্রাবের মধ্যবর্তী দিন)।
সাধারণত, ঋতুস্রাব শুরুর 12 থেকে 16তম দিন উর্বর সময় হিসেবে বিবেচিত হয়।
উদাহরণস্বরূপ: যদি আপনার চক্রের দৈর্ঘ্য 28 দিন হয়, তাহলে আপনার 8ম থেকে 12তম দিন উর্বর সময় হবে।
২. ডিম্বস্ফোটন পরীক্ষা:

ডিম্বস্ফোটনের সময় প্রস্রাবে লুটেইনাইজিং হরমোনের (LH) মাত্রা বৃদ্ধি পায়।
ডিম্বস্ফোটন পরীক্ষা কিট প্রস্রাবে LH-এর মাত্রা পরীক্ষা করে।
যখন পরীক্ষাটি ইতিবাচক ফলাফল দেখায়, তখন সেই দিন এবং পরবর্তী 24 ঘন্টা উর্বর সময় হিসেবে বিবেচিত হয়।
৩. শরীরের লক্ষণ:

আরো পড়ুনঃ   ডাব সাবানের উপকারিতা সুবিধা এবং অসুবিদা২০২৪

ডিম্বস্ফোটনের সময় কিছু নারী শরীরে নির্দিষ্ট লক্ষণ অনুভব করে, যেমন:
যোনি স্রাবের পরিবর্তন (পাতলা, স্বচ্ছ এবং স্লিপারি)
পেটে হালকা ব্যথা
স্তনের স্পর্শকাতরতা
বেসাল শরীরের তাপমাত্রায় সামান্য বৃদ্ধি
উর্বর সময়ে সহবাসের জন্য কিছু টিপস:

উর্বর সময়ের সময় প্রতিদিন বা একদিন পরপর সহবাস করুন।
সহবাসের আগে পূর্ণ মূত্রাশয় দিয়ে প্রস্রাব করুন।
সহবাসের পর কিছুক্ষণ শুয়ে থাকুন।
লুব্রিকেন্ট ব্যবহারের ক্ষেত্রে সাবধানতা অবলম্বন করুন, কারণ কিছু লুব্রিকেন্ট শুক্রাণুর গতিশীলতাকে প্রভাবিত করতে পারে।
মনে রাখবেন:

উপরোক্ত তথ্যগুলো সাধারণ নির্দেশিকা হিসেবে ব্যবহার করা উচিত।
প্রত্যেক নারীর শরীর ভিন্ন, তাই উর্বর সময়ের দিক থেকে ব্যক্তিভেদে পার্থক্য থাকতে পারে।
আপনার যদি গর্ভধারণে সমস্যা হয়, তাহলে একজন ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করুন।

পিরিয়ডের কত দিন পর সহবাস করলে সন্তান হবে

পিরিয়ডের কত দিন পর সহবাস করলে সন্তান হবে তা নির্ভর করে আপনার মাসিক চক্রের দৈর্ঘ্যের উপর। সাধারণত, মাসিক চক্রের 11 থেকে 14 দিনের মধ্যে সহবাস করলে গর্ভধারণের সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি থাকে। কারণ এই সময়ে ডিম্বাশয় থেকে ডিম্বাণু নির্গত হয় এবং জরায়ুতে পৌঁছায়।

কিছু টিপস:

আপনার মাসিক চক্রের দৈর্ঘ্য ট্র্যাক করুন: প্রতি মাসে আপনার মাসিক শুরুর দিন এবং শেষ দিন নোট করুন।
ডিম্বস্ফোটন সময় নির্ধারণ করুন: আপনার মাসিক চক্রের 14 দিন আগে ডিম্বস্ফোটন হয় (28 দিনের চক্রের জন্য)।
ডিম্বস্ফোটন পরীক্ষা ব্যবহার করুন: ডিম্বস্ফোটন পরীক্ষা আপনাকে ডিম্বস্ফোটনের সময় নির্ধারণ করতে সাহায্য করতে পারে।
সঠিক সময়ে সহবাস করুন: ডিম্বস্ফোটনের 24 ঘন্টা আগে এবং পরে সহবাস করলে গর্ভধারণের সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি থাকে।
কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়:

স্পার্ম জরায়ুতে 5 দিন পর্যন্ত বেঁচে থাকতে পারে: তাই ডিম্বস্ফোটনের আগে সহবাস করলেও গর্ভধারণের সম্ভাবনা থাকে।
প্রত্যেকের মাসিক চক্র আলাদা: কিছু মহিলার মাসিক চক্র 28 দিনের হয়, আবার কিছুদের 21 থেকে 35 দিনেরও হতে পারে।
নিয়মিত সহবাস করুন: সপ্তাহে 2-3 বার সহবাস করলে গর্ভধারণের সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়।
আপনার যদি গর্ভধারণে সমস্যা হয়, তাহলে একজন স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞের সাথে পরামর্শ করুন।

মাসিকের কত দিন পর সহবাস করা উচিত

মাসিকের কত দিন পর সহবাস করা উচিত তা নির্ভর করে আপনার মাসিক চক্রের দৈর্ঘ্যের উপর।

সাধারণভাবে:

নিয়মিত 28 দিনের মাসিক চক্রের জন্য:
মাসিক শুরুর 8-19 দিনের মধ্যে সহবাস করা উচিত।
11-14 দিনের মধ্যে সহবাস করলে গর্ভধারণের সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি থাকে।
অনিয়মিত মাসিক চক্রের জন্য:
আপনার ডিম্বস্ফোটনের সময় নির্ধারণ করুন।
ডিম্বস্ফোটনের 24 ঘন্টা আগে এবং পরে সহবাস করুন।
ডিম্বস্ফোটনের সময় নির্ধারণ করার কিছু উপায়:

মাসিক চক্র ট্র্যাক করা: প্রতি মাসে আপনার মাসিক শুরুর দিন এবং শেষ দিন নোট করুন।
ডিম্বস্ফোটন পরীক্ষা ব্যবহার করা: ডিম্বস্ফোটন পরীক্ষা আপনাকে ডিম্বস্ফোটনের সময় নির্ধারণ করতে সাহায্য করতে পারে।
শরীরের লক্ষণগুলি পর্যবেক্ষণ করা: ডিম্বস্ফোটনের সময়, কিছু মহিলা যোনি স্রাবের পরিবর্তন, তলপেটে ব্যথা, এবং বুকের স্পর্শকাতরতা অনুভব করে।
কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়:

স্পার্ম জরায়ুতে 5 দিন পর্যন্ত বেঁচে থাকতে পারে: তাই ডিম্বস্ফোটনের আগে সহবাস করলেও গর্ভধারণের সম্ভাবনা থাকে।
প্রত্যেকের মাসিক চক্র আলাদা: কিছু মহিলার মাসিক চক্র 28 দিনের হয়, আবার কিছুদের 21 থেকে 35 দিনেরও হতে পারে।
নিয়মিত সহবাস করুন: সপ্তাহে 2-3 বার সহবাস করলে গর্ভধারণের সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়।
আপনার যদি গর্ভধারণে সমস্যা হয়, তাহলে একজন স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞের সাথে পরামর্শ করুন।

পিরিয়ডের সময় সহবাস করলে কি বাচ্চা হয়

পিরিয়ডের সময় সহবাস করলে বাচ্চা হওয়ার সম্ভাবনা খুব কম, তবে অসম্ভব নয়।

কারণ:

পিরিয়ডের সময়, ডিম্বাণু ইতিমধ্যে জরায়ু থেকে বেরিয়ে গেছে।
স্পার্ম জরায়ুতে 5 দিন পর্যন্ত বেঁচে থাকতে পারে।
তাই, যদি পিরিয়ড দীর্ঘ হয় এবং ডিম্বস্ফোটন দ্রুত ঘটে, তাহলে স্পার্ম ডিম্বাণুকে নিষিক্ত করতে পারে।
এছাড়াও, কিছু মহিলার মাসিকের সময় হালকা রক্তপাত হয়, যা ডিম্বস্ফোটন রক্তপাত হতে পারে।
ডিম্বস্ফোটন রক্তপাতের সময় সহবাস করলে গর্ভধারণের সম্ভাবনা থাকে।
সুতরাং, পিরিয়ডের সময় সহবাস করলে গর্ভধারণের সম্ভাবনা কম হলেও, সম্পূর্ণ নিরাপদ নয়।

আরো পড়ুনঃ   গর্ভাবস্থায় জাফরান খাওয়ার নিয়ম উপকারিতা ও অপকারিতা২০২৪

গর্ভধারণের সম্ভাবনা কমাতে:

পিরিয়ডের শেষ দিনে সহবাস করা এড়িয়ে চলুন।
নিয়মিত জন্ম নিয়ন্ত্রণ ব্যবহার করুন।
ডিম্বস্ফোটনের সময় নির্ধারণ করুন এবং সেই সময় সহবাস করা এড়িয়ে চলুন।
আপনার যদি গর্ভধারণের পরিকল্পনা থাকে, তাহলে একজন স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞের সাথে পরামর্শ করুন।

মাসিকের কত দিন পর সহবাস করলে গর্ভবতী হয় না

মাসিকের কত দিন পর সহবাস করলে গর্ভবতী হবেন না তা নির্ভর করে আপনার মাসিক চক্রের দৈর্ঘ্যের উপর। সাধারণত, মাসিকের 7-8 দিন পর এবং মাসিকের শেষ 7-8 দিন সহবাস করলে গর্ভবতী হওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে।

কারণ:

ডিম্বস্ফোটন: মাসিক চক্রের 14 তম দিনের (28 দিনের চক্রের জন্য) আশেপাশে ডিম্বস্ফোটন ঘটে। ডিম্বস্ফোটনের 24 ঘন্টা পর্যন্ত ডিম্বাণু নিষিক্ত হওয়ার জন্য বেঁচে থাকে।
স্পার্ম: স্পার্ম জরায়ুতে 5 দিন পর্যন্ত বেঁচে থাকতে পারে।
তাই, মাসিকের 7-8 দিন পর সহবাস করলে:

ডিম্বস্ফোটন হয়নি, তাই ডিম্বাণু নিষিক্ত হওয়ার জন্য উপলব্ধ নেই।
পূর্ববর্তী ডিম্বস্ফোটনের স্পার্ম ইতিমধ্যে জরায়ু থেকে বেরিয়ে গেছে।
এছাড়াও, মাসিকের শেষ 7-8 দিন সহবাস করলে:

ডিম্বস্ফোটন অনেক দূরে, তাই ডিম্বাণু নিষিক্ত হওয়ার সম্ভাবনা কম।
স্পার্ম জরায়ুতে বেঁচে থাকার জন্য যথেষ্ট সময় পাবে না।
তবে, মনে রাখবেন:

এটি একটি সাধারণ নির্দেশিকা। প্রত্যেকের মাসিক চক্র আলাদা।
ডিম্বস্ফোটন বিভিন্ন কারণে দ্রুত বা দেরিতে হতে পারে।
গর্ভধারণের সম্ভাবনা কমাতে 100% নিরাপদ কোনো উপায় নেই।
গর্ভধারণের সম্ভাবনা কমাতে:

নিয়মিত জন্ম নিয়ন্ত্রণ ব্যবহার করুন।
ডিম্বস্ফোটনের সময় নির্ধারণ করুন এবং সেই সময় সহবাস করা এড়িয়ে চলুন।
মাসিকের 7-8 দিন পর এবং মাসিকের শেষ 7-8 দিন সহবাস করা এড়িয়ে চলুন।
আপনার যদি গর্ভধারণের পরিকল্পনা থাকে, তাহলে একজন স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞের সাথে পরামর্শ করুন।

বাচ্চা নেওয়ার জন্য সহবাসের উপযুক্ত সময়

বাচ্চা নেওয়ার জন্য সহবাসের উপযুক্ত সময় নির্ধারণ করা গুরুত্বপূর্ণ কারণ এটি গর্ভধারণের সম্ভাবনা বৃদ্ধি করে। নারীর মাসিক চক্রের একটি নির্দিষ্ট সময় থাকে যখন গর্ভধারণের সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি থাকে, এই সময়টিকে উর্বর সময় বলা হয়।

উর্বর সময় নির্ণয় করার কয়েকটি উপায়:

১. মাসিক চক্র ট্র্যাক করা:

প্রতিদিন আপনার ঋতুস্রাবের শুরু এবং শেষের তারিখ লিপিবদ্ধ করুন।
আপনার চক্রের দৈর্ঘ্য নির্ণয় করুন (দুটি ঋতুস্রাবের মধ্যবর্তী দিন)।
সাধারণত, ঋতুস্রাব শুরুর ১২ থেকে ১৬তম দিন উর্বর সময় হিসেবে বিবেচিত হয়।
উদাহরণস্বরূপ: যদি আপনার চক্রের দৈর্ঘ্য ২৮ দিন হয়, তাহলে আপনার ৮ম থেকে ১২তম দিন উর্বর সময় হবে।
২. ডিম্বস্ফোটন পরীক্ষা:

ডিম্বস্ফোটনের সময় প্রস্রাবে লুটেইনাইজিং হরমোনের (LH) মাত্রা বৃদ্ধি পায়।
ডিম্বস্ফোটন পরীক্ষা কিট প্রস্রাবে LH-এর মাত্রা পরীক্ষা করে।
যখন পরীক্ষাটি ইতিবাচক ফলাফল দেখায়, তখন সেই দিন এবং পরবর্তী ২৪ ঘন্টা উর্বর সময় হিসেবে বিবেচিত হয়।
৩. শরীরের লক্ষণ:

ডিম্বস্ফোটনের সময় কিছু নারী শরীরে নির্দিষ্ট লক্ষণ অনুভব করে, যেমন:
যোনি স্রাবের পরিবর্তন (পাতলা, স্বচ্ছ এবং স্লিপারি)
পেটে হালকা ব্যথা
স্তনের স্পর্শকাতরতা
বেসাল শরীরের তাপমাত্রায় সামান্য বৃদ্ধি
উর্বর সময়ে সহবাসের জন্য কিছু টিপস:

উর্বর সময়ের সময় প্রতিদিন বা একদিন পরপর সহবাস করুন।
সহবাসের আগে পূর্ণ মূত্রাশয় দিয়ে প্রস্রাব করুন।
সহবাসের পর কিছুক্ষণ শুয়ে থাকুন।
লুব্রিকেন্ট ব্যবহারের ক্ষেত্রে সাবধানতা অবলম্বন করুন, কারণ কিছু লুব্রিকেন্ট শুক্রাণুর গতিশীলতাকে প্রভাবিত করতে পারে।
মনে রাখবেন:

উপরোক্ত তথ্যগুলো সাধারণ নির্দেশিকা হিসেবে ব্যবহার করা উচিত।
প্রত্যেক নারীর শরীর ভিন্ন, তাই উর্বর সময়ের দিক থেকে ব্যক্তিভেদে পার্থক্য থাকতে পারে।
আপনার যদি গর্ভধারণে সমস্যা হয়, তাহলে একজন ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করুন।

আজকের এই পোস্টে আশা করি অজানা অনেক কিছু জানতে পেরেছেন কিভাবে সহবাস করলে বাচ্চা হওয়ার সম্ভাবনা পিরিয়ডের কত দিন পরে সহবাস করা উচিৎ ইত্যাদি সকলের প্রতি শুভ কামনা

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *