নফল রোজার নিয়ত ও ফজিলত

আল্লাহর তায়ালার নৈকট্য লাভের জন্য আমারা অনেকেই নফল রোজা রেখে থাকি অথবা পালন করে থাকি। আমাদের মাঝে অনেকের মধ্যে নফল রোজার নিয়ত নিয়ে অনেক কনফিউশান কাজ করে।

আমাদের আজকের এই নফল রোজার নিয়ত নিয়ে পোষ্টের মাধ্যমে আপনাদের নফল রোজার নিয়ত, নফল রোজার ফজিলত ও নফল রোজার নিয়ত কখন করতে হয় এ নিয়ে সকল কনফিউশান দূর করার চেষ্টা করবো।

নফল রোজা কি?

রমজান মাসে সিয়াম বা রোজা রাখা ফরজ। কোনো ধরনের কারন ছাড়া রমজান মাসের ফরজ রোজা ভেঙে ফেললে তার ক্বাজা ও কাফফারা রোজা আদায় করা ফরজ। এছাড়া মানত রোজা রাখা এবং সকল ধরনের নফল রোজা রেখে ইচ্ছায় বা অনিচ্ছায় সেই নফল রোজা ভেঙে ফেললে তা পুনরায় আদায় করা ওয়াজিব।

এইসকল ফরজ ও ওয়াজিব রোজা ছাড়া অন্যান্য সকল রোজাকে নফল রোজা বলা হয়। নফল অর্থ অতিরিক্ত, ফরজ অথবা ওয়াজিব নয়। মূলত এই নফল রোজা ২ প্রকার। ১ম প্রকার হলো নির্ধারিত বা রাসুলুল্লাহ হযরত মুহাম্মদ (সঃ) কর্তৃক পালনকৃত, এই প্রকারের রোজা রাখা সুন্নত। ২য় নফল রোজার প্রকার হলো অনির্ধারিত, এগুলো রাখা মুস্তাহাব। এই উভয় প্রকার রোজাকেই সাধারনভাবে নফল রোজা বলা হয়।

নফল রোজার নিয়ত ও ফজিলত
নফল রোজার নিয়ত ও ফজিলত

নফল রোজার ফজিলত

নফল রোজার ফজিলত সম্পর্কে হাদিস শরিফে এসেছে, হজরত আবু হুরায়রা (রাঃ) বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ হযরত মুহাম্মদ (সঃ)  বলেছেন, ‘প্রত্যেক বস্তুর জাকাত আছে, শরীরের জাকাত হচ্ছে রোজা।’ (ইবনে মাজাহ, মিশকাত)।

রাসুলুল্লাহ হযরত মুহাম্মদ (সঃ) রোজার ফজিলত সম্পর্কে আরও বলেছেন, ‘রোজা হচ্ছে ঢালস্বরূপ এবং জাহান্নাম থেকে বাঁচার সুদৃঢ় দূর্গ।’ (নাসায়ি)

হজরত ইবনে খুজাইমা ও হাকিম আবু ইমাম হাদীস শরিফে বর্ণনা করেন, হযরত মুহাম্মদ (সঃ) কে তাঁরা বললেন, হে আল্লাহর রাসুল হযরত মুহাম্মদ (সঃ)! আপনি আমাদের কিছু আমল করার উপদেশ দান করুন। তখন রাসুলুল্লাহ হযরত মুহাম্মদ (সঃ)  বলেন, ‘রোজা অবলম্বন করো, এর সমকক্ষ কোনো আমল নেই।’ হজরত ইবনে খুজাইমা ও হাকিম আবু ইমাম পুনরায় বললেন, আমাদের কোনো আমল বলে দিন। রাসুলুল্লাহ হযরত মুহাম্মদ (সঃ) বললেন, ‘রোজা অবলম্বন করো, এর সমতুল্য কোনো আমল নেই।’ হজরত ইবনে খুজাইমা ও হাকিম আবু ইমাম পুনরায় একই প্রার্থনা করলেন। রাসুলুল্লাহ হযরত মুহাম্মদ (সঃ) পুনরায় একই আদেশ করলেন। (সুনানু নাসায়ি)।

হজরত মুআজ ইবনে আনাস (রাঃ) হাদিস শরিফে বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ হযরত মুহাম্মদ (সঃ) বলেছেন ‘যে ব্যক্তি রমজান মাস ব্যাতিত অন্য সময় আল্লাহ তায়ালার সন্তুষ্টির জন্য একটি রোজা রাখবে; দ্রুতগামী ঘোড়া ১০০ বছরে যত দূর রাস্তা অতিক্রম করতে পারে, দোজখ তার কাছ থেকে ততটা দূরে অবস্থান করবে।’ (তিরমিজি ও নাসায়ি)।

আরো পড়ুনঃ   কোরবানি সম্পর্কে কোরআনের আয়াত ও হাদিস

চিকিৎসাবিজ্ঞানের আলোকে রোজার ফজিলত বা উপকারীতা

চর্মরোগের চিকিৎসার ক্ষেত্রে রোজা রাখা অনেক উপকারী। এর কারণ হল, রোজা রাখলে রক্তের মাঝে পানির অংশ কমে যায়, অতঃপর ত্বকের মধ্যেও পানির পরিমাণ কমে যায় এবং এর ফলে সংক্রামক জীবানু ও রোগব্যাধি থেকে ত্বকের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেড়ে যায়। যার ফলে চর্মরোগ অনেকাংশে কমে যায়।

নফল রোজা রাখার নিষিদ্ধ দিবসসমূহ

হজরত আবু হুরায়রা (রাঃ) বলেছেন, রাসুলুল্লাহ হযরত মুহাম্মদ (সঃ) কোরবানির ঈদের দিন ও রোজার ঈদের দিন রোজা রাখতে নিষেধ করেছেন। (মুসলিম)।

হজরত নুবায়শা হুজালি (রাঃ) বর্ণনা করেছেন, রাসুলুল্লাহ হযরত মুহাম্মদ (সঃ) বলেছেন, আইয়ামে তাশরিক অর্থাৎ জিলহজ মাসের ৯-১৩ তারিখ হলো খাওয়া, পান করা ও আল্লাহ তায়ালাকে স্মরণ করার জন্য।  (মুসলিম) জিলহজ মাসের ৯ তারিখে আরাফাত ময়দানে  অবস্থানকারীরা রোজা রাখবেন না; অন্যরা রোজা রাখিতে পারিবেন।

সুতারাং উপরের হাদিস এর মাধ্যমে আমরা বুঝতে পাড়ছি যে বছরে পাঁচ দিন রোজা রাখা নিষেধ তথা নাজায়েজ ও হারাম। তা হলোঃ রোজার ঈদের দিন (ঈদুল ফিতর), কোরবানির ঈদের দিন (ঈদুল আযহা) ও তৎপরবর্তী তিন দিন। রাসুলুল্লাহ হযরত মুহাম্মদ (সঃ) বলেছেন, তোমরা এই দিবস গুলোতে রোজা রাখিবে না। কারণ, এই দিন গুলো শুধুই পানাহার ও খেল-তামাশার (আনন্দ-ফুর্তি ও উপভোগের) জন্য।

নফল রোজা রাখার বিশেষ সময়

বছরের কিছু কিছু সময় নফল রোজা রাখার আলাদা কিছু বিষেশত্ব রয়েছে। আসুন আমরা নিচের আলোচনার মাধ্যমে নফল রোজা রাখার সেই বিশেষ বিশেষ সময় গুলি জেনে নেই।

সাপ্তাহিক রোজা

প্রতি সপ্তাহের সোম ও বৃহস্পতিবার এই দু’দিন রোজা পালন করা সুন্নত। কেননা আল্লাহর রাসূল হযরত মুহাম্মদ (সঃ) এই দু’দিন রোজা রাখতে পছন্দ করতেন।

হজরত আবু কাতাদা (রাঃ) থেকে বর্ণিত হয়েছে, মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সঃ) – কে সোমবারে রোজা রাখা সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে তিনি তার উত্তরে বলেছিলেন, ‘এই দিনে আমার জন্ম হয়েছে এবং এই দিনে আমাকে নবুয়ত প্রদান করা হয়েছে বা আমার ওপর কোরআন শরীফ নাজিল হওয়া শুরু হয়েছে।’ (সহীহ মুসলিম : ১১৬২)

অন্য এক হাদিসে এসেছে, ‘সোম ও বৃহস্পতিবার বান্দার আমল আল্লাহ তায়ালার কাছে পেশ করা হয়। সুতারাং রোজাদার অবস্থায় আমার আমলগুলো আল্লাহ তায়ালার দরবারে পেশ করা হোক এমনটিই আমি পছন্দ করছি।’ (সুনানে তিরমিজী : ৭৪৭)

আরো পড়ুনঃ কোরবানি সম্পর্কে কোরআনের আয়াত ও হাদিস

মাসিক রোজা

প্রতি চান্দ্রমাসের ১৩, ১৪ ও ১৫ তারিখ রোজা রাখায় অনেক ফজিলতের কথা হাদিস শরিফে বর্ণিত হয়েছে। প্রতি চন্দ্রমাসের এই তিন দিবসকে ইসলামী শরীয়তের পরিভাষায় ‘আইয়ামে বিজ’ বলা হয়ে থাকে। বিজ শব্দের অর্থ সাদা বা আলোকিত। যেহেতু এই তিন দিনের রাত্রিগুলো ফুটফুটে পূর্ণ চাঁদের আলোয় উদ্ভাসিত থেকে থাকে তাই এই তিন দিনকে ‘আইয়ামে বিজ’ বলা হয়। হজরত আবু জর গিফারি (রাঃ) হাদিসে বর্ণনা করেন, হজরত রাসূলুল্লাহ হযরত মুহাম্মদ (সঃ) তাকে এভাবে বলেছেন, ‘হে আবু জর, তুমি যদি প্রতি মাসে তিন দিন রোজা রাখতে চাও, তাহলে ১৩, ১৪ ও ১৫ তারিখে তা রাখো।’ (সুনানে তিরমিজী : ৭৬১)

বার্ষিক রোজা

প্রতি বছর শাওয়াল মাসে ৬টি রোজা রাখা সুন্নত। এটিকে অনেকে ছয় রোজাও বলে থাকে। আল্লাহর রাসূল হযরত মুহাম্মদ (সঃ) বলেন, যারা রমজান মাসে রোজা পালন করবে এবং শাওয়াল মাসে আরো ছয়টি রোজা রাখবে; তারা যেন পূর্ণ একটি বছরই রোজা পালন করল। (মুসলিম শরীফ: ১১৬৪)

চন্দ্র মাস হিসেবে ৩৫৪ দিন বা ৩৫৫ দিনে একটি বছর হয়ে থাকে। প্রতিটি নেক আমলের সওয়াব আল্লাহ রাব্বুল আলামীন কমপক্ষে ১০ গুণ করে দিয়ে থাকেন। (সুরা আনআম, আয়াত: ১৬০)। এ হিসাবে রমজান মাসের ৩০ দিনের রোজা ১০ গুণ হয়ে ৩০০ দিনের সমান হয়। আর বাকি ৫৪ অথবা ৫৫ দিনের জন্য আরো ৬টি পূর্ণ রোজার প্রয়োজন হয়।

রাসুলুল্লাহ হযরত মুহাম্মদ (সঃ) আরও বলেছেন, ‘আল্লাহ তায়ালা আরবি শাওয়াল মাসের ৬ দিনে আসমান-জমিন সৃষ্টি করেছেন। সুতরাং যে ব্যক্তি এই শাওয়াল মাসে ৬ দিন রোজা রাখবে, আল্লাহ তায়ালা তাকে প্রত্যেক সৃষ্ট জীবের সংখ্যার সমমান সওয়াব দান করিবেন এবং সমান পরিমাণ গুনাহ মাফ করে দেবেন এবং আখিরাতে তাকে উচ্চ মর্যাদা দান করিবেন।’ (হাদীস শরীফ)

শাওয়াল মাসের যেকোনো দিনই এই রোজা আদায় করা বা রাখা যায়। ধারাবাহিকভাবে অথবা ছয় রোজার মাঝে বিরতি দিয়েও আদায় করা বা রাখা যায়।  

নফল রোজার নিয়ত কখন করব

রাতের বেলা অথবা সুবহে সাদিকে নফল রোজার নিয়ত করা বাধ্যতামুলক বা জরুরি নয়। বরং যদি দিনের যে কোনো সময় ঐদিনে কোনোকিছু খাওয়ার আগে নফল রোজা রাখার ইচ্ছা হয়, তখন থেকেই ঐ দিনের রোজা রাখা যাবে।

হযরত আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, ‘রাসূলুল্লাহ হযরত মুহাম্মদ (সঃ) একদিন আমাকে বললেন, হে আয়েশা, তোমাদের কাছে কি (কোনো খাবার) আছে? তখন হযরত আয়েশা (রাঃ) বলেন, হে আল্লাহর রাসূল, আমাদের কাছে কোনোকিছু নেই। তিনি তখন বললেন, তাহলে আমি রোজা রাখলাম।’(বর্ণনায়ঃ মুসলিম শরিফ)

নফল রোজার নিয়ত
নফল রোজার নিয়ত

নফল রোজার নিয়ত

ফরজ বা নফল কোন রোজার জন্যই মুখে বলে বা পড়ে নিয়ত করতে হয় না। নিয়ত করতে হয় মনে মনে। আর এটা মানুষের মনে তখনই হয়ে যায় যখন মানুষ কোন কাজের ইচ্ছা পোষণ করেন। যেমনঃ ধরুন, আপনি আগামীকাল এগার টার গাড়িতে ঢাকায় যাবেন। এটা বাস্তবায়ন করার জন্য কি আপনাকে সেটা বিশেষ কোনো বাক্যের মাধ্যমে নিজের মনকে জানাতে হয়? না, কখনই না।

তেমনি ভাবে নফল রোজার নিয়ত এর জন্য আলাদা কিছু পড়তে হয় না। মনে মনে ঠিক করেছেন যে, আপনি নফল রোজা রাখবেন, ব্যাস, নফল রোজার নিয়্যাত হয়ে যাবে। আল্লাহ তায়ালা সকল মানুষের মনের খবর জানেন।

কুরআন অথবা হাদিস দ্বারা কোনো রোজার নিয়ত মুখে উচ্চারণ করে পড়ার প্রমাণ আমরা পাই নাই। সচেতনভাবে সজ্ঞানে কোনো কাজ করিলে নিয়ত আপনা আপনিই হয়ে যাবে।

আরো পড়ুনঃ   ইন্সুরেন্স কি হালাল | ইসলামিক দৃষ্টিতে ইন্সুরেন্স-বীমা

নফল রোজার নিয়ত করে রোজা ভেংগে ফেলা

নফল রোজা পালন করা অবস্থায় যদি অতিথি বা মেহমান আপ্যায়ন করাতে হয় বা আপ্যায়ন গ্রহণ করিতে হয়, তাহলে নফল রোজা ভেংগে ফেলা জায়েজ হবে এবং তবে পরবর্তী সময়ে এই রোজার কাজা রোজা আদায় করা ওয়াজিব হবে। এতে করে তিনগুণ বেশি সওয়াব পাওয়া যাবে। প্রথমত, নফল একটি রোজা রাখার সওয়াব; দ্বিতীয়ত, মেহমান (অতিথি) বা মেজবান (মেহমানদারী)-এর সম্মান রক্ষার সওয়াব; তৃতীয়ত, নফল রোজাটি ভাঙার পরিবর্তে কাজা ওয়াজিব রোজা রাখার সওয়াব।


হজরত উম্মে হানি (রাঃ) বর্ণনা করেন, মক্কা শরীফ বিজয়ের দিন মা ফাতিমা (রাঃ) এলেন, তিনি নবীজি হযরত মুহাম্মদ (সঃ) এর বাম পাশে বসলেন এবং উম্মে হানি (রাঃ) নবীজি হযরত মুহাম্মদ (সঃ) এর ডান পাশে বসলেন। এমন সময় ওয়ালিদাহ একটি পানপাত্র নিয়ে এল। নবীজি হযরত মুহাম্মদ (সঃ) তা থেকে পান করিলেন, তারপর উম্মে হানি (রাঃ) পান করলেন। এরপর উম্মে হানি (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর রাসুল হযরত মুহাম্মদ (সঃ)! আমি রোজা ছিলাম এখন ইফতার (ভঙ্গ) করিলাম। নবীজি হযরত মুহাম্মদ (সঃ) বলিলেন, তুমি কি ক্বাজা রোজা পালন করছিলে? উম্মে হানি (রাঃ) বলিলেন, না। তখন তিনি বলিলেন, যদি তুমি নফল রোজা রেখে থাকো তবে তা ভাংগায় কোনো দোষ নেই। (আবু দাউদ, তিরমিজি ও দারমি)।


হজরত আয়েশা (রাঃ) বর্ণনা করেন, ‘আমি এবং হাফসা রোজা ছিলাম; আমাদের সামনে খাবার-দাবার পেশ করা হলো, আমাদেরও খেতে ইচ্ছে হলো; আমরা খাবার খেলাম।  হাফসা বলিলেন, হে আল্লাহর রাসুল হযরত মুহাম্মদ (সঃ)! আমরা রোজা রেখে ছিলাম, আমাদের সামনে খাবার-দাবার পেশ করা হলো, আমাদেরও খাওয়ার আগ্রহ ছিল; তাই আমরা (রোজা ভেংগে) খেলাম। নবীজি হযরত মুহাম্মদ (সঃ) বলিলেন, তোমরা এই রোজা অন্য দিন ক্বাজা করে নিবে। (বর্ননায়ঃ তিরমিজি)

নফল রোজা রেখে ইফতার করতে করতে যেন মাগরিবের নামাজের জামাত ছুটে না যায় সে বিষয়ে সতর্ক থাকিতে হবে। রমজান মাসে সকলে ফরজ রোজা পালন করে বলে সবার জামাতে অংশগ্রহণের সুবিধার্থে মাগরিবের নামাজের জামাত কিছুটা দেরিতে শুরু করা হয়। কিন্তু রমজান মাস ছাড়া অন্যান্য সময় যেহেতু মাগরিবের নামাজের জামাত দেরি করে শুরু করা হয় না; তাই মসজিদে যদি কিছু না পাওয়া যায় তাহলে পানি দিয়ে ইফতার করে জামাতে শরিক হওয়া বাঞ্ছনীয়।

আশা করি আমাদের এই নফল রোজার নিয়ত ও ফজিলত নিয়ে পোষ্টটি আপনাদের ভালো লেগেছে। আমাদের পোষ্টের কোনো তথ্যে ভুল পেলে আমাদের কমেন্ট করে জানাবেন। আপনাদের তথ্য অনুযায়ী আমরা পোষ্টটি আপডেট করে দিবো।

Leave a Reply

Your email address will not be published.